বুধবার, ফেব্রুয়ারী ১১, ২০২৬
২৯ মাঘ ১৪৩২

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

বাবরি মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু


ডেস্ক রিপোর্ট ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বিকাল ৩:৪৩
বাবরি মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু
ছবি:সংগৃহীত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গায় আজ বুধবার কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।

জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান বেলডাঙ্গার বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবির বলেন, আগামী দুবছরের মধ্যে এই নির্মাণ কাজ শেষ হবে। স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ১০টায় শুরু হয় কোরআন তেলাওয়াত। ১ হাজার ২০০ মাওলানা, মুফতি হাফেজ দিয়ে কোরআন তেলওয়াত করার পর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টার পর মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

তিনি বলেন, আমার জীবন শেষ হয়ে গেলেও আমি মসজিদ নির্মাণের কাজ থামাব না। আমি বাবরি মসজিদ নির্মাণ করব বলেছি। আমি বাবরি মসজিদ নির্মাণ করবই। কারো ক্ষমতা নেই যে, বেলডাঙ্গায় বাবরি মসজিদ তৈরি করার বিষয়ে বাধা দেবে।

জানা গেছে, এরই মধ্যে বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য প্রকৌশলীর এবং নির্মাণ শ্রমিক মুর্শিদাবাদে এসে উপস্থিত হয়েছেন। মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গায় সাজ সাজ রব পড়ে গেছে।

এছাড়াও মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার পরের দিন বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় নদীয়া জেলার পলাশী থেকে ২৩৫ কিলোমিটার ‘বাবরি যাত্রা’ শুরু করবেন হুমায়ুন কবির। সেই যাত্রা শুক্রবার উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহারে গিয়ে শেষ হবে।

তবে এই বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে রাজ্যের রাজনীতি বেশ সরগরম হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে বিশ্ব হিন্দু রক্ষা কমিটি মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার লাগিয়ে ঘোষণা দিয়েছে যে, তারা এই বাবরি মসজিদ হতে দেবে না।

যদিও এ বিষয়ে হুমায়ূন কবির বলেন, হিন্দুদের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধিতা নেই। আমি তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাই না। কেউ যদি এগিয়ে এসে বাবরি মসজিদ ভাঙার চেষ্টা করে তবে তারা ব্যাপারটা বুঝতে পারবে।

হুমায়ূন আরও বলেন, এটা উত্তরপ্রদেশ না, বিহারও না, এটা মুর্শিদাবাদ। আমার মসজিদ নির্মাণের অধিকার আছে। সুপ্রিম কোর্টও মসজিদ নির্মাণের জন্য না বলেনি। আমি এই মসজিদ বানিয়ে দেখাব। আমি কারো বিরুদ্ধে নই তবে কেউ যদি এই মসজিদ ভাঙার চেষ্টা করে তার বিরুদ্ধে আমরা যাব।

উল্লেখ্য, গত বছর ৬ ডিসেম্বর বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। আর আজ সেই প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হলো।

মসজিদের  ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের আগে ৪ ডিসেম্বর হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করে তৃণমূল। এর পর ২২ ডিসেম্বর জনতা উন্নয়ন পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দলের সূচনা করেন তিনি।